Currently set to Index
Currently set to Follow
Bangla Pdf Books

The Alchemist Bangla Pdf Download by Paulo Coelho

 

  • বই: দ্যা আলক্যেমিস্ট
  • লেখক:  পাওলো কোয়েলহো
  • file format: Pdf Download (পিডিএফ)
  • অনুবাদক: অনুপ সাহা
  • প্রকাশনী: ঐশী পাবলিকেশন্স
  • ক্যাটাগরি: অনুবাদ উপন্যাস

The Alchemist bangla summary:

আপনার কি ছোটকালের সেই  সমাজ বইটার কথা মনে আছে? সেখানে ১ম শিখেছিলেন “পরিবেশ” কাকে বলে। আমাদের চারপাশে যা আছে তাই নিয়েই আমাদের পরিবেশ!
তারপর যখন একটু বড়  হলেন তখন আবার নতুন করে বুঝলেন, শিখলেন এই পরিবেশ, এই প্রকৃতি!  ঘরের চার দেয়ালের বাহির জুড়ে যে প্রকৃতির দেয়াল তাই ত পরিবেশ।  এখানেই ত মিশে আছে প্রান,  এখানেই ত প্রকৃতি তার থেকেই ত আমাদের জীবনের পূর্ণ হয়। শিখি  শিক্ষার সব স্বীকৃতি।
প্রকৃতিই আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। চারপাশের পরিবেশ প্রতিনিয়ত আমাদের শেখায়!  আমরা বদলে নেই, বদলাই!
খেয়াল করে দেখবেন, শিশুদের চোখ চঞ্চল থাকে। এরা  সর্বদা চারদিকে অবাক চাহুনিতে তাকায়! কৌতুহলো চোখ দূটো আস্তে আস্তে শিখে নেয় প্রকৃতির প্রত্যকটি নিয়ম।

দ্যা আলকেমিস্ট বইটির প্রান  অনেকটা এরকমই।
এক কমবয়সী  বালক ছোট থেকেই নানা চড়াই-উতরাই পারি দিয়ে পড়ছে শিখে যায় পৃথিবীর প্রত্যেকটি নিয়মকে। প্রকৃতিই একদিন তাকে বলে দেয় তার লক্ষ্য একটা পিরামিড!  অমুল্য গুপ্তধন !

তারই ধারাবাহিকতায় দেখা হয় লক্ষ্যের পানে পৌছে দেওয়ার  জন্য প্রকৃতিপ্রেরিত স্বপ্নদ্রোস্টা শিক্ষকদের কখনো একজন রাজা, কখনো একজন ইংরেজ বন্ধু, কখনো বা একজন দ্যা এলকেমিস্ট!

বইটি আপনাকে জীবনের প্রানশক্তি চেনাবে। আমাদের জীবনের  আসল  উদ্যেশ্যের জানান দিবে, দিবে একটা ছোট বার্তা  যার গভীরতা গভীর থেকেও শিকড় গাড়ে গভীরে…!

▪জীবনের প্রথম বুক রিভিউ ছিল, ভুল-ভ্রান্তির গুলোকে ধরিয়ে দিবেন শুধরে নিবে অথবা শিখে।

বইয়ের ১ম কিছু অংশ তুলে ধরা হল:

The alchemist book review in bangla:

যুবকের নাম সান্টিয়াগাে। সে যখন তার মেষগুলােকে চরিয়ে একটা পরিত্যাক্ত চার্চে গিয়ে হাজির হলাে তখন সন্ধ্যা হয়ে আসছে। চার্চের টিনের চালটা ইতােমধ্যে ভেঙ্গে পড়ায় স্যারিস্টি মঞ্চটা এক সময় যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল, সেখানে একটা মস্ত সাইকামাের গাছ গজিয়ে উঠেছে।
এখানেই রাত কাটানাের সিদ্ধান্ত নিল যুবক। চার্চের ভাঙা ফটকের মাঝদিয়ে সমস্ত মেষেরা প্রবেশ করলে গেটের মাঝে আড়াআড়িভাবে একটা
তক্তা আটকে দিল যাতে করে মেষগুলাে রাতের বেলা অযথা ঘােরাঘুরি করতে না পারে। এ অঞ্চলে নেকড়ের উপদ্রব নেই তবু কোন পশু হারিয়ে
গেলে পুরাে দিনটাই লেগে যাবে তাকে খুঁজে বের করতে।
মেঝের উপর জ্যাকেটটা বিছিয়ে দিয়ে যুবক তার উপর শুয়ে পড়লাে, মাথার বালিশ বানিয়ে নিলাে সদ্য সমাপ্ত বইটা। মনে মনে ভাবলাে এখন
থেকে একটা মােটা বই পড়া দরকার ? মােটা বই দীর্ঘকাল টিকে থাকে আর আরামদায়ক বালিশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
যখন তার ঘুম ভাঙলাে তখনাে আঁধার কাটেনি, চালের ছিদ্র দিয়ে এখনাে আকাশের তারা দেখা যাচ্ছে।
আর একটু বেশী ঘুমাতে পারলে ভাল হতাে, যুবক মনে মনে বললাে। এক সপ্তাহ আগে সে এ রকম একটা দিনে একই রকম একটা স্বপ্ন দেখেছিল কিন্তু স্বপ্নটা শেষ হবার আগেই আগের দিনের মত আজও তার ঘুম ভেঙে গেল।
উঠে দাঁড়িয়ে, লাঠি হাতে নিয়ে ঘুমন্ত মেষগুলােকে জাগাতে শুরু করলে এক সময় তাকিয়ে দেখে তার জেগে উঠার সাথে সাথে মেষগুলােও জাগতে
শুরু করেছে। একটা রহস্যময় শক্তি তাকে তার সাথী পশুগুলােকে একত্রে বেঁধে ফেলেছে, প্রায় দুই বছর হলাে তারা খাদ্য ও আহার সংগ্রহের জন্য
একসাথে গ্রামাঞ্চলে আছে। বিড়বিড় করে যুবক বলে “তারা সবাই আমার সময়সূচি সম্পর্কে বেশ ওয়াকেবহাল হয়েছে।” পরমুহূর্তে তার চিন্তা
অন্যদিকে প্রবাহিত করে বলে, আমিও তাদের কর্মসূচির সাথে অভ্যস্থ হয়ে পড়েছি।
কিছু-কিছু মেষ এখনাে পুরােপুরি অভ্যস্থ হয়ে উঠতে পারেনি। যুবক লাঠিদিয়ে খোঁচা দেবার পর তাদের নাম ধরে ডাকতে থাকে। তার বিশ্বাস
প্রতিটি মেষই তার কথার অর্থ বােঝে। মাঝে মাঝে বই থেকে কিছু কিছু সে তাদের পােড়ে শােনায়, ফলে, যুবকের প্রতি মেষেদের একটা সহানুভূতি
গড়ে উঠেছে। এমনকি সে তাদের একজন রাখালের একাকিত্ব, দুঃখবােধ বা আনন্দানুভূতির কথাও ব্যক্ত করতাে। পথে যেতে-যেতে যদি সে নতুন কিছু দেখতে পেতাে তবে নিশ্চয় সে তাদের বলতাে।
কিন্তু গত কিছুদিন ধরে সে শুধু একটা কথাই বারবার করে বলেছে আর তা হলাে এক সওদাগরের মেয়ে সম্পর্কে। মেয়েটি যেখানে থাকে সেখান থেকে সে চার দিনের দূরত্ব পেছনে রয়েছে। গতবছর, সে শুধু, একবারই এখানে এসেছিল। সওদাগর শুকনা জিনিসের করবারী, যাতে করে সে প্রতারিত না হয় সেজন্য নিজে উপস্থিত থেকে জিনিস কিনতে চায়। একজন তাকে একথা বলায় সে তার মেষগুলােকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়।
“আমি কিছু মেষের উল বিক্রি করতে চাই,” যুবক দোকানীকে বলে।
কিছুটা ভীড় থাকায় দোকানী তাকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললে যুবক সময় কাটানাের জন্য ঝুলি থেকে বইটা বের করে দোকানের
সিঁড়ির উপর বসে পড়তে থাকে। “আমি জানতাম না কোন রাখাল বই পড়তে জানে,” পেছন থেকে
একটা মেয়ের কণ্ঠ ভেসে আসে।
মেয়েটি আন্দুলেশিয়া অঞ্চলের সাধারণ এক বালিকা, কাল চুল ছড়িয়ে কাঁধের উপর পড়েছে, তার আয়ত চোখ মুরিস বিজয়ীদের কথাই স্মরণ
করিয়ে দেয়। “আসলে বইয়ের থেকে আমি মেষেদের কাছে বেশী করে শিখি,” যুবক উত্তর করে। তারা দুই ঘন্টার বেশী সময় ধরে কথা বলে। কথার ফাঁকে সে যুবককে জানালাে যার কাছে সে লােম বিক্রি করছে, সে হচ্ছে তার বাবা।
যুবকের সাথে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বােধ করায় সে গ্রামের মাঝে কিভাবে তার পরিবর্তনহীন জীবন কাটে, তা সে বলতে লাগলাে। অন্যদিকে যুবক
তাকে আন্দুলেশিয়ান গ্রাম অঞ্চলের জীবন ধারার কথা, বিশেষ করে যে সমস্ত জায়গায় সে থেকেছে তার কথা বললাে। তার সাথে অভিজ্ঞতা
বিনিময় করার সময় এমন একটা আনন্দ অনুভব করলাে যা সে মেষেদের সাথে কথা বলে কখনাে অনুভব করেনি।
“তুমি কিভাবে পড়তে শিখলে?” মেয়েটি একফাঁকে জিজ্ঞাসা করে।
“সবাই যেখান থেকে শিখে থাকে, সে উত্তর দিল। “স্কুল থেকে।”
“যদি তুমি পড়তে জান, তাহলে রাখালের কাজ করছাে কেন?” যুবক এ কথার উত্তর দিতে না পারায় চুপ করে গেল। সে জানতাে যে
উত্তর সে দেবে তার অর্থ সে বুঝবে না। তাই সে তার ভ্রমণ কাহিনী এবং তার পিঙ্গল, মুরিশদের মত আয়তকার চোখ যার ভেতর ভয় এবং বিস্ময়
মেঘেদের দুইই লুকিয়ে আছে তার গল্প বলতে লাগলাে। সময় বয়ে চললাে, এক সময়
মনে হলাে দিনটা যদি শেষ না হয়, তার বাবা ভীষণ ব্যস্ত হয়ে তাকে যদি আরাে তিনদিন অপেক্ষা করতে বলে। সে যেন নতুন কিছু একটা অনুভব করছে যা সে কখনাে অনুভব করেনিঃ এক জায়গাতেই থেকে যাবার বাসনা। কোকড়ানাে চুলের মেয়ের সাথে তার ভিন্নতর দিন হবার সম্ভাবনা।
অবশেষে সওদাগর যুবককে চারটে মেষ নিয়ে আসতে বললে ভেড়াগুলাের লােম সংগ্রহের পর যুবককে মূল্য পরিশােধ করে পরবর্তী বছরে
আসতে বলে।…………..  বাকি অংশ বইতে পড়ুুুন।

The Alchemist Paulo Coelho Bangla Pdf book free Download link:
দ্য অ্যালকেমিস্ট বাংলা পিডিএফ ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker