Currently set to Index
Currently set to Follow
Books

অভিশপ্ত রংধনু Pdf download – Ovishopto Rongdhonu pdf download

অভিশপ্ত রংধনু: pdf download

Titleঅভিশপ্ত রঙধনু
Author
Publisher
Edition1st Published, 2020
Number of Pages248
Countryবাংলাদেশ
Languageepub, MOBI, Pdf free Download(পিডিএফ ডাউনলোড)

বাংলাদেশে গে-অ্যাক্টিভিযম বাড়ছে !
🚩 বাড়ছে LGBTQ+ অ্যাক্টিভিস্টদের সংখ্যা !
🚩 অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে সমকামিতায় আক্রান্তের সংখ্যা !!
🚩 দৃষ্টির অগোচরে বেড়েই চলছে সমকামী ক্লাব, সমকামিতা প্রচারকারী এনজিও, তাদের অর্থায়নকারী ফাউন্ডেশন ও মিডিয়ার সংখ্যা !!
🚩 সমকামিতার প্রচারণা হচ্ছে এখন জাতীয় নাটক-সিনেমা, মেইনস্ট্রিম মিডিয়া, পেপার-পত্রিকা-ম্যাগাজিন, বই-পুস্তক, এমনকি দেশীয় সেলিব্রেটিদের মাধ্যমেও !!!

এই মুহূর্তে “সমকামিতা” বাংলাদেশ একটি গরম টপিক ! সাম্প্রতিক সময়ে এক সেলিব্রেটির [!] সমকামিতাকে সমর্থন করে দেওয়া পোস্ট থেকে তৈরি হয়েছে হাজারো বিতর্ক !

কিন্তু কি এই সমকামিতা ? কেন সমকামিতা এই মানবজাতির জন্য হুমকিস্বরূপ ? কেন ইতিহাসে এক-একটি সভ্যতা ধ্বংসের ঠিক আগ মুহূর্তে তার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় সমকামিতায় প্রসার ?

কেন ইসলামে সমকামিতার বিরুদ্ধে এমন ভয়ানক যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে চৌদ্দশ বছর আগে ? কেন সমকামিতা প্রচারকারীদের জন্য ইসলামে রাখা হয়েছে মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন ও মারাত্মক পর্যায়ের বিধান ? এটি কেন শুধুই ইভটিজিং-ধর্ষণ-হত্যার মতো সাধারন পাপ নয় ?

সমকামিতা কি আসলেই প্রাকৃতিক-সাধারণ বিষয় ? নাকি কেবল কিছু অজানা এজেন্ডা বাস্তবায়নে মানুষের মাথায় একে প্রবেশ করানো হচ্ছে প্রাকৃতিক-ন্যাচারাল হিসেবে ? এই সমকামিতার সঠিক কালো-ইতিহাসটা আসলে কি ?

বাংলাদেশে সমকামিতার প্রচারণা কি এটাই প্রথম ? নাকি বহু বছর ধরেই হয়ে আসছে এমন গোপন কিছু ? শিশুকামিতা-র [!] প্রণোদনাই বা এই বাংলাদেশে কি হারে হচ্ছে, তা কি আপনি আমি জানি ? শুধুমাত্র সমকামিতা-শিশুকামিতা’কে গেলাতে পশ্চিমা বিশ্ব কি কি এজেন্ডা ঠিক করে রেখেছে আমাদের সাধারণ মানুষদের জন্য ?

এসব সাধারণ প্রশ্নের উত্তরের যদি বাদও দেই, তবুও এটা স্বীকার করে নিতে হবেই যে, বইটি বাংলা ভাষায় সমকামিতা বা “Homosexuality” নিয়ে লেখা সবচাইতে মারাত্মক তথ্যপূর্ণ ও রেফারেন্সেটিভ বই এই “অভিশপ্ত রংধনু”। বাংলা ভাষায় সমকামিতা নিয়ে বেশ কিছু বই রয়েছে সত্য, কিন্তু এই বইটার উপরে দ্বিতীয় কোন বই স্থান পাবে বলে আমার মনে হয় না…। এক কথায় বলতে গেলে মাস্টারপিস বই !!! সকল শ্রেণীর, সকল ধর্মের, সকল পর্যায়ের চিন্তাশীল বা সকল মতাদর্শের মানুষদের জন্যই অবশ্য পড়ণীয় একটি বই…।

🚩 বইটির ভিতরের বিষয় নিয়ে আলাদা করে রিভিউ অন্য একদিন হবে…। শুধু বাইরের কিছু কথাই এখন বলে যাই। যুগের ফিতনাহ থেকে বাঁচতে বইটা প্রতিটি মুসলিমেরই অন্তত একবার হলেও যে পড়ে দেখা উচিত ! বিজ্ঞানপ্রেমী কিংবা গবেষক পাঠকদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক দুনিয়ার “এটম বোম” হিসেবে কাজ করবে বইটি…!!!

এই বিষয়ের বিস্তারিত খন্ডন, সমকামিতা-শিশুকামীতার প্রতি একাডেমিক সাইন্স ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিত রেফারেন্সসহ পাবেন “অভিশপ্ত রংধনু” বইটিতে…। পশ্চিমা বিশ্ব সমকামিতাকে স্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরতে, ন্যাচারাল প্রমাণ করতে আজ পর্যন্ত সাহায্য নিয়েছে হাজার রকম জালিয়াতির। বইটিতে প্রতিটি জালিয়াতির মুখোশ উন্মোচন করা হয়েছে পশ্চিমা বিশ্বে হওয়া বিভিন্ন গবেষণা বা রিসার্চের ফলাফল থেকেই। সুতরাং যারা পশ্চিমা মতাদর্শের আদর্শিক গোলাম রয়েছেন, তারাও বেশ চিন্তার খোরাক পাবেন বইটি পড়ে…।

☑ “গে—জিন” জালিয়াতি থেকে শুরু করে ছোট-বড় আরো অনেক বিষয়কেই তারা উপস্থাপন করে এটিকে ন্যাচারাল ও স্বাভাবিক প্রমাণ করতে। “গে—জিন” সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন বইতে। শুরুতে বিভিন্ন গবেষণায় এর অস্তিত্ব প্রমাণের দাবি করা হলেও, পরবর্তীতে হওয়া কিছু পারিপাশ্বিক গবেষণায় তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে, ভুল প্রমাণিত হয়েছে পূর্বের গবেষণা গুলোর স্ট্রাটেজি। এক্ষেত্রে তারা প্রথম কয়েকটি গবেষণাযম্র রেফারেন্স দেখালেও, পরবর্তীতে গবেষণাগুলোর কথা চেপে যায়। এটা জালিয়াতি ছাড়া আর কিছু নয়… এজন্য এবিষয়ে বিস্তারিত না জানা সহজ-সরল অজ্ঞ-বোকারা ধোঁকা খেয়ে যায় সহজেই।

☑ তাঁরা আরও দাবি করে থাকে সমকামিতা অপরিবর্তনীয়, জন্মগত৷ যে জিনিস জন্ম থেকে একজন মানুষের মধ্যে থাকে, সেটা অবশ্যই প্রাকৃতিক। যে জিনিস কখনো কৃত্রিম-জোরপূর্বক সেটিং করা ছাড়া বদলানো যায় না, তা-ই প্রাকৃতিক। তাই সমকামিতা নিঃসন্দেহে একটি স্বাভাবিক বিষয়…!!! কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের এই দাবি একই সাথে ভুল ও অসংখ্য জালিয়াতিপূর্ণ…।

বইতে পশ্চিমা গবেষকদের থেকে বিস্তারিত রেফারেন্স এনে দেখানো হয়েছে, সমকামিতা কখনোই জন্মগত নয়…৷ এবং এটাকে অবশ্যই চিকিৎসার মাধ্যমে পরিবর্তন করানো সম্ভব, এবং সেটা পশ্চিমাবিশ্ব প্রতিনিয়ত হচ্ছে। আর যে ১.৫% লোক জন্মের সময়ই বিকৃত সমকামী মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মগ্রহণ করে, সেটা স্পষ্টত একটা রোগ, যা কিনা কৃত্রিম কিছু সমস্যার কারণে হয় কেবল…।

☑ তারা বলে যে, এটা কোন ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নেওয়া বিষয় না, বা ইচ্ছাকৃত কোন চয়েজ না…। তাদের এই কথাটি পুরোপুরি সত্য না হলেও আংশিক সত্য, কেননা সমকামীদের ব্যাপারে রয়েছে আরো অচেনা ও ভয়ানক কিছু তথ্য৷ একথা অনেকাংশে সত্য যে, কোন সমকামী সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় সমকামী হয় না। বরং হয়ে ওঠে পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন প্রভাবকের কারণে…। ঠিক যেভাবে একজন সুস্থ-সবল, সাধারণ মস্তিষ্কের ভদ্র-সভ্য ধার্মিক মানুষও হয়ে ওঠে মারাত্মক ধর্ষক…!!! সিরিয়াল র‍্যাপিস্ট !!!

>>> পশ্চিমা বিভিন্ন গবেষণাধর্মী বই ও রিসার্চ পেপার থেকে এক-একজন মানুষের সমকামী হওয়ার কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যেগুলোতে একটু ভালোমতো বুঝে বুঝে চোখ বুলালেই বুঝতে পারবেন, তাদের দাবি কতটা ফাঁপা, জালিয়াতিপূর্ণ ও প্রতারণাপূর্ণ…। বাস্তবে তাদের দৌর অজ্ঞ-মূর্খ-বোকা বা অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত সাধারণ মানুষ পর্যন্তই…!!!

• আরেকটি বিষয় মনে রাখা উচিত, এবিষয়টি আমাদের বুঝতে হবে শুধুমাত্র তাদের জবাব দিতে, কিংবা তাদের বিভ্রান্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার জন্যই না, বরং আমাদের বাস্তব জীবনে সাবধান হওয়ার জন্যও !!! এ-কথা কেন বলছি, তা বুঝতে হলে বইটিই পড়ে দেখতে হবে, সংক্ষেপে বলা সম্ভব নয়।

☑ তারা বলে থাকে, এটি কোনো রোগ নয়। কেননা অনেক বড় বড় গবেষক, বিজ্ঞানী এর পক্ষে কথা বলছেন ! জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন এর মতো ছোট-বড় অসংখ্য আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক সংগঠনও এর পক্ষে কাজ করছে। কাজ করছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি গুলোতে সমকামীদের পক্ষে জনমত তৈরীর জন্যও ! ওয়াও ! কি অসাধারণ যুক্তি ! এক যুক্তিতেই সকল মুসলিম কুপোকাত !

___ কিন্তু বাস্তবে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউএনএইচসিআর কিংবা অন্যান্য সংগঠনগুলোতে কারা সমকামিতার প্রচারণা’র মতো বিষয়গুলোকে জোরপূর্বক প্রবেশ করায়, কিংবা কিভাবে নিরপেক্ষ বিজ্ঞানী-গবেষকদের প্রভাবিত করে ‘পুজিবাদ’ নিজের স্বার্থ আদায় করে, সে ইতিহাস আপনি কখনোই তাদের কাছ থেকে জানতে পারবেন না…। যার কিছুটা অনুমান করতে পারবেন বইটি পড়লেই…। এসব ছোট-বড় জায়নিস্ট সংগঠনগুলো কাদের পক্ষে কাজ করে, কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে, তা না জানা পর্যন্ত বিষয়টি ধোয়াশাই রয়ে যাবে আপনাদের কাছে…।

.
.

এসব কথা যদি বাদও দেই, তাও মেনে নিতে হবে, আমাদের সমকামিতায় আক্রান্ত ভাই-বোনেরা ভালো নেই…৷ বৈশ্বিক অসংখ্য জরিপে দেখা যায়, সমকামীদের মধ্যে এইডস আক্রান্তদের সংখ্যা বেশি। গণোরিয়া-সিফিলিসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে তিন ভাগের এক ভাগই থাকে সমকামী ! যদিও হিসাবটা করা হয় বৈশ্বিক !!! একজন সাধারন সমকামী মানুষের বিষমকামীদের তুলনায় অ্যানাল রুট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১১ গুণ বেশি, এইডসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১৮ বেশি !!! অবস্থা ধরতে পারছেন…???

তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা কিংবা রাগ নয়, বরং মায়া থাকা উচিত, মায়া ! কষ্ট হওয়া উচিত তাদের জন্য…। সমকামীরা বাস্তবে বাইরে দিয়ে তাদের অধিকার আন্দোলনের দাবি করলেও, ব্যাক্তিজীবনে না এরা শান্তিতে থাকতে পারে, না এরা জীবনে খুঁজে পায় সুখ…।

বৈশ্বিক বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, তুলনামূলক ধর্মবিশ্বাসীদের চাইতে সেক্যুলার-নাস্তিক্যবাদী’দের মধ্যে যেমন আত্মহত্যার হার মারাত্মক বেশি, তেমনি সাধারণ অবিশ্বাসীদের তুলনায় সমকামিতায় আক্রান্ত অবিশ্বাসীদের মধ্যে আত্মহত্যা, মানসিক রোগ, আগ্রাসী মনোভাব, ধর্ষণ ও যৌনতা সম্পর্কিত বিভিন্ন অপরাধের হার আরো বহুগুণে বেশি !!! বিষয়টি বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও, এটাই বাস্তবতা ! ইউরোপ-পশ্চিমে হওয়া বিস্তারিত পরিসংখ্যান গুলো পাবেন বইতে…।

▪▪▪ আরেকটা বিষয় বলতে চাই, “অধিকার” জিনিসটা এখন হয়ে গেছে একদম মুড়ির মোয়া…! না আর আছে এর কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞায়ন, না আছে কোনো কিছুকে অধিকার বলার জন্য নির্দিষ্ট কোন “শর্তাবলী…” যে যেই মানবতাবিরোধী বা গর্হিত কাজ করতে পছন্দ করে, এখন সেটাই তার অধিকার ! অদ্ভুত ! আপনার যা প্রয়োজন, তা সহজে না পেলে সেটাকে অধিকারের সংজ্ঞায় ফেলে প্রচার করুন, ব্যাস ! কাজ হয়ে গেছে !

—– শিশুকামিতায় আক্রান্তদের পিপাসা মেটানোর জন্য, শিশুকামিতাকে স্বাভাবিকীকরণের জন্য, কম বয়সি কচি শিশুদের সাথে বয়স্কদের যৌনসম্পর্ক তৈরীর অধিকারের জন্য তৈরি হয়েছে NAMBLA !!!

—– পশুকামিতায় আক্রান্তদের জন্য, পশুদের সাথে যৌনাচার বা সেক্সের বৈধতা লাভের জন্য, গরু-ছাগল-শুকর-ভেড়ার সাথে কেবল সেক্স বা তাদের যৌন-অঙ্গ থেকে সুখ লাভের [!!!] অধিকার আদায়ের জন্য তৈরি হয়েছে জার্মানীর ZETA !!!

—>> খুব শীঘ্রই দেখবেন মাদকাসক্তরাও তাদের অধিকার নিয়ে পড়বে,, খুব শীঘ্রই দেখবেন ধর্ষকামীরাও তাদের ধর্ষণের অধিকারের জন্য LGBTQ+ রাইটস এর মতো আলাদা রাইটস নিয়ে আন্দোলন শুরু করবে,, খুব শীঘ্রই দেখবেন এমন উদ্ভট উদ্ভট জিনিসের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন হচ্ছে, যেগুলো চিন্তা করতেই হাত-পা কেঁপে উঠবে…!!!! আমার কথা মাথায় নোট করে রাখুন…।

.
.

⚠ সাধারণ মানুষজনতো কেবল বাংলাদেশে সমকামীতার স্বাভাবিকীকরণ’ বা প্রচারণা’র জন্য কয়েকজন সেলিব্রেটি, প্রথম আলোর মতো কয়েকটি কয়েকটি জাতীয়-দৈনিক পত্রিকা, আরটিভির মতো কয়েকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল, রূপবান এর মতো কিছু ম্যাগাজিন, কিংবা গ্রামীণফোন এর উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তাদের চেনেন…। কিন্তু না এতেই সীমাবদ্ধ নয়…।

সমকামিতার স্বাভাবিকিরণে দেশের অলিতে-গলিতে, ভার্সিটি-ভার্সিটিতে, স্কুল-কলেজে পর্যন্ত বিভিন্ন ওয়ার্কশপ করা হচ্ছে, কাজ করছে বিভিন্ন সংগঠন…! বাংলাদেশের এক্ষেত্রে আত্মস্বীকৃত সর্বপ্রথম সমকামী সংগঠন হলো ‘BOB’ বা ‘বয়েজ অফ বাংলাদেশ’, যাদের কার্যকলাপ দেখলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। ঢাকা ভার্সিটিতে পর্যন্ত এদের আলাদা ওয়ার্কসপ রয়েছে বলে জানা যায়৷ এছাড়া বাংলাদেশে সমকামীদের মানসিক সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ২৪/৭ টেলিফোন সুবিধা দিয়ে থাকে “কান পেতে রই” নামক সংস্থা৷

••• এছাড়া বাংলাদেশে সমকামীদের কিছু সংগঠন বা ক্লাবের নাম হচ্ছে লাইটহাউস কনসোর্টিয়াম(উত্তরাঞ্চল), বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি), সাস (বরিশাল), ওডপাপ ও হাসাব।

••• সমকামীদের স্বাস্থ্যগত সেবা দিয়ে থাকে আশার আলো সোসাইটি, মুক্ত আকাশ বাংলাদেশ, জাগরী ও ক্যাম্প’ নামক এনজিও।

••• বাংলাদেশের সমকামীদের আইনগত সহায়তা দিতে কাজ করে বাংলাদেশে মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম আইন (বিএমএসএফ) ও ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ (আসক)।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker