অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স

(03) অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কম্পলিট ধারণা ও একটি বিগ বাজেট পরিকল্পনা

ডিজিটাল মার্কেটার বন্ধুরা, জানেনই তো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি ধৈর্য সহকারে লেগে থাকার কাজ। একটি সফল অ্যাফিলিয়েট সাইট তৈরি করতে ১ থেকে ১.৫ বছর সময় লাগে, পাশাপাশি ভালো পরিমাণ টাকাও ইভেস্ট করতে হয়।
আমাদের এখানে ১ বছর সময় লাগবে এমন একটি অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইটকে উদাহরণ হিসেবে নিবো ।
এখানে আজকে বাংলাদেশিদের হিসেবে মোটামোটি বিগ বাজেট এমন একটা সাইট তৈরির বাজেট প্লান শেয়ার করব।

আর হ্যা, বলে রাখা ভাল- আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে একটা ওভারঅল ধারণা পাওয়াই হচ্ছে এ আর্টিকেল লেখার উদ্দেশ্য।

অ্যামাজন ওয়েবসাইট দাড় করাতে বাজেট পরিকল্পনা

এখন আমরা জেনে নেব অ্যামাজন ওয়েবসাইট  বানাতে কোথায় কত টাকা ইনভেস্ট করবেন ? কোন কোন জায়গায় টাকা ইনভেস্ট করবেন ? এসব জানব।

১. ডোমেইন এর জন্য ১০$ ডলার
২. হোস্টিং এর জন্য ৬০$ ডলার
৩. থিম ও প্লাগিন এর জন্য ৫০$ ডলার
৪. আর্টিকেল এর জন্য ২০০০$ ডলার
৫. ব্যাকলিংক এর জন্য ১০০০$ ডলার
সর্বমোট →৩১২০$ ডলার

চাইলে এখানে খরচ কমানো অথবা আরও বাড়ানো যেতে পারে। ।

বুঝানোর ও হিসেব করার সুবিধার্থে-
» আমি এখানে ৪০ টি আর্টিকেল ধরে নিলাম , তাহলে (৪০×৫০$) = ২০০০$ ডলার ।
» নরমাল ব্যাকলিংক নিজে খুব সহজেই বানাতে পারেন। আর, ব্যাকলিংক আপনার ইচ্ছা মত কিনতে পারেন। আমি ২০ টি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক ধরলাম (২০×৫০$)= ১০০০$ ।
» কন্টেন্ট  এর ক্ষেত্রে বিদেশি রাইটার দিয়ে লেখালে ভালো , কন্টেন্ট কুয়ালিটি অনেক ভালো হয় ।
» এছাড়াও, অ্যামাজনের এখানে অনেক কিছু আছে যা নিজে জানলে আপনার টাকা বেঁচে যাবে ।
উপরোক্ত ৩১২০$ আপনি ১২ মাসে খরচ করবেন ।

 ধাপে ধাপে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর একটা নিশ সাইট দাড় করানোর গাইডলাইন

১. মাইক্রো নিশ সিলেকশন
২. কীওয়ার্ড রিসার্চ ও কীওয়ার্ড সিলেকশন
৩. কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস
৪. ওয়েবসাইট তৈরি ও ডিজাইন
৫ . অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্ধারণ
৬. কন্টেন্ট
৭. এসইও
৮. প্রোডাক্ট ক্রিয়েশন
৯. ওয়েবসাইট বিক্রি

১. মাইক্রো নিশ সিলেকশন

আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বাজারে বর্তমানে কম্পিটিশন অনেক বেশি। তাই এইক্ষেত্রে micro niche নিয়ে কাজ করা ভালো। মাইক্রো নিশ এ rank করা সহজ ।
বিস্তারিত জানুন→ এ লিংকে।

২. কীওয়ার্ড রিসার্চ ও কীওয়ার্ড সিলেকশন

micro niche বাছাই করার পর সেই keyword নিয়ে অনেক research করতে হবে ,অনেক time দিতে হবে । প্রথম সপ্তাহ শুধু keyword রিসার্চ ই করতে হবে ।কীওয়ার্ড search volume ২০০ থেকে ১০০০ সর্বোচ্চ নিবেন এর বেশি নিবেন না । হাই সার্চ keyword রেঙ্ক করানো অনেক কঠিন । এর মধ্যে কিছু long tail keywordও বাছাই করবেন ।
বিস্তারিত জানুন→ এ লিংকে।

৩. কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস

ওয়েবসাইটকে গুগল রেংক করানোর ক্ষেত্রে competitor analysis হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনার নিশ ও keyword related আরো কোন কোন website আছে সেগুলোকে আপনার খুঁজে বের করতে হবে । আপনার competitor সাইটগুলোকে সর্বদা নজরে রাখতে হবে । সবসময় দেখবেন আপনার competitor কি কি করছে,,,, কোন theme ,কোন plugin ব্যাবহার করছে, কম্পিটিটর এর focus keyword কোনগুলো , কম্পিটিটর এর money article ও info article এর lenth কত , কাদের থেকে backlink নিল …… ইত্যাদি।
বিস্তারিত জানুন→ এ লিংকে।

৪. ওয়েবসাইট তৈরি ও ডিজাইন ‼️

»ডোমেইনটি .com domain কিনতে পারলে ভাল।
» ডোমেইন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট যেমন- epik থেকে অথবা হোস্টিং লোকাল মার্কেট থেকে নিলে ভালো অফার পাওয়া যায় এবং কম খরচে কেনা যায়।
» wwebsite তৈরিতে সর্বদা wordpress ব্যাবহার করবেন। ভালো একটি theme কেনার চেষ্টা করবেন।
» এক্ষত্রে আমার সাজেশন হলো- thrive থিম ব্যাবহার করা এর সাথে thrive architect প্লাগিন টি জোস যেটি দিয়ে আপনারা website খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন, সাথে আরো অনেক plugin ফ্রী পাবেন।
বিস্তারিত জানুন→ এ লিংকে।

সাজেশন:
» যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন ভাবছেন কিন্তু সাইটের পেছনে ইনভেস্ট করতে চাচ্ছেন না, তাদের জন্য আমার সাজেশন হচ্ছে – আর্টিকেল রাইটিং এবং লিংক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে অল্প কিছু টাকা হলেও ইনভেস্ট করুন।

এ শর্টকাট পর্ব পড়া শেষ হলে এরপর ধারাবাহিক মুল বড় পোস্টগুলো বিস্তারিত দেখুন।
Reference: collected fb group.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker