অন পেজ এসইও

(82) ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড বৃদ্ধি এবং লোডিং টাইম কমানোর উপায়

ওয়েব পেইজ লোডিং স্পিড গাইডলাইন

একটা ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড গুগল র্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি একজন ভিসিটরের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়।

তাই আপনার ওয়েবসাইট কে গুগল সার্চ রেজাল্টের টপ পেজে র্যাংক করানোর জন্য এবং ভিসিটরকে ধরে রাখার জন্য ওয়েবসাইট লোডিং স্পিড চেক করা এবং সে অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব অপটিমাইজ করাটা খুবই প্রয়োজন।

কেননা একটা ওয়েবসাইট স্লো হওয়ার কারণে তার ট্রাফিক/ভিসিটর হারায়। এবংকি ঐ ওয়েবসাইট তার র্যাংকও হারায়!

নোট: আপনার ওয়েবসাইট এর হোমপেজের (FCI) ফুল লোডিং স্পিড টাইল অবশ্যই যেন ৩ সেকেন্ডের ভেতর হয়। page speed যত হউক,সেটা নিয়ে না ভাবলেও হবে।

ওয়েবপেজ লোডিং স্পিড  চেকার

ওয়েবপেজ লোডিং স্পিড চেক করার জন্য অনেক টুলস রয়েছে। যথা:
উপরের টুলসগুলোর যেকোনো ১টা দিয়ে সাইট স্পিড চেক করবেন।

আর, চেক করার পর দেখবেন যে, কি কি ইস্যু পেজ-লোডিং টাইম বাড়াচ্ছে সেটা খুঁজে বের করবেন।  এজন্যে আমি সাজেস্ট করব- লাইটহাউজ, অথবা পিংডম/ জিটিমেট্রিক্স দিয়ে টেস্ট করার জন্য । টেস্ট করার পর পেজ স্পিড দেখে নিন ও প্রয়োজন মতন স্পিড ইস্যু ঠিক করে নিন।

একটা ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড যত ভালো তা ওই ওয়েবাসইটের জন্য তত ভাল। কেননা আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড যদি ভালো না হয় তবে আপনি ভালো রাঙ্ক করতে পারবেন না।  গুগলের মতে 53% user ১টা website থেকে বের হয়ে যায়, যদি page টি load হতে ৩ সেকেন্ড এর বেশী সময় লাগে।  অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে, website লোডিং স্পিড এর কারণে সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যেতে পারে। সুতরাং website এর loading speed অবশ্যই দ্রুত হতে হবে।

ওয়েব পেইজ লোডিং স্পিড অপটিমাইজ করার জন্য যা যা করবেন:

  • আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য amp set করে নিন।
  • ভাল থিম ইউস করেন।
  • দরকার নেই এমন প্লাগিন অফ করে রাখেন
  • images & videos এর জন্য lazy load time active করুন। এজন্য wp rocket plugin ব্যবহার করতে পারেন।
উপরোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে এভাবে আপনার ওয়েবসাইট এর স্পিড বৃদ্ধি করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker